
★ আন্তর্জাতিক যৌথ বিবৃতি ★ যুথবদ্ধতার প্রতীক ★ প্রচলিত স্লোগানসমূহ ★ সমণ্বয় ★ বিষয়বস্তু/উপাদানসমূহ ★
মার্চ - মে ২০১১
" গণমানুষের স্বাধীনতা"
বিনামূল্যে সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে প্রয়োজনীয় ও উপকারী তা নয় বরং সামগ্রিকভাবে পুরো সমাজের জন্যেই তা লাভজনক। আই. এস. এম. প্লাটফর্মে আমরা যারা সক্রিয় নেতা-কর্মী বা গ্রুপ একসাথে সহাবস্থানে আছি, আমাদের সকলেরই বিশ্বের প্রতিটি মুক্তিকামী স্বাধীনচেতা মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান “আমাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম শুধু আমাদের নয়, এটি আপনাদেরও দাবি আদায়ের সংগ্রাম ঠিক যেমনিভাবে আপনাদের লড়াই সংগ্রামের সাথে আমরাও এক হয়ে মিশে আছি” এবং সেই সাথে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের এই লড়াই সংগ্রামে শ্রমিক-মজুর ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ নির্বিশেষে সকলকেই অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিগত কয়েক মাসেই শুধু দক্ষিন আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য, ইউক্রেন ও আমেরিকাতেই নয়, সেই সাথে অষ্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, চিলি, গ্রিস, ইতালি, নেদারল্যান্ড, ফিলিপাইন ও পুয়ের্তো রিকো সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বৃহৎ গনআন্দোলন সংঘটিত হয়েছে (উদাহরন হিসেবে ধরা যাক, “শিক্ষার অধিকার আদায়ে বৈশ্বিক আন্দলন” এর কথা)। এসব আন্দোলন যে শুধু শিক্ষার লভ্যতা নিশ্চিত করতে হয়েছে তা নয়, সেই সাথে শিক্ষার বেসরকারিকরণকে রুখতে, ক্রমান্বয়িক সাফল্য প্রাপ্তির লক্ষ্যে মনস্তাত্বিক চাপ হ্রাস করতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে সাম্প্রতিককালে সংশয় ও জিজ্ঞাসার মধ্য দিয়ে সচেতনতার যে জোয়ার উঠেছে তাকে ত্বরাণ্বিত করতেও এ ঘটনাগুলোর বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ সৃষ্টি করতে “আন্তর্জাতিক যৌথ বিবৃতি” –তে নিবন্ধনকৃত আই. এস. এম. প্লাটফর্মের সকল ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সংঘগুলো একত্রে ২০১১ সালের মার্চ থেকে মে মাস অবধি“প্রতিরোধ আন্দোলনের নবজোয়ার” নামে একটি কর্মসূচি শুরু করার উদ্যোগ নেয়। এই সময়কালে “গ্লোবাল উইক অব অ্যাকশন” (২১-২৬ মার্চ) ও “গ্লোবাল ডে অব অ্যাকশন” (২ মে) এ দু’টি কর্মসূচিও পালিত হবে।
এস. ও. আর. এর সার্বিক কাঠামো মূলত তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছেঃ
“আন্তর্জাতিক যৌথ বিবৃতি” (নিবন্ধন করুন এবং আমাদের আন্দোলনে শরিক হউন)
একটি যূথবদ্ধ প্রতীক (বিভিন্ন ভারসনে তৈরীর কাজ এখনোও চলছে)
আই. এস. এম. বিভিন্ন অঞ্চলের অভ্যন্তরে এবং বাইরে আন্দোলনের উপযোগী প্লাটফর্ম ও সার্বিক কাঠামো তৈরী করে দেয় এবং এ সময়কালে প্রত্যেকটি গ্রুপ ও সংঘ আন্দোলনের পূর্ব-প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদেরকে সংগঠিত করবে। “প্রতিরোধ আন্দোলনের নবজোয়ার” –এর জন্য সময়ের একটি রূপরেখা আগে থেকে নির্ধারিত করে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যাতে করে বিভিন্ন গ্রুপ ও নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধ হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ পায় এবং তারা নিজেদের মধ্যবর্তী আন্তঃনেটওয়ার্ক আরো জোরদার ও শক্তিশালী করতে পারে। এর আরও একটি কারণ হল, এতে করে বিভিন্ন সমাজ কর্মীরাও এতে নিজেদের মত করে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে।
বিভিন্ন ধরনের সমাবেশ ও বক্তৃতার পাশাপাশি সারা বিশ্বে শিক্ষা ব্যবস্থার যে দখলদারিত্ব ও ব্যবসায়িক প্রকৃতি তাকে তুলে ধরতে ওয়ার্কশপ ও মঞ্চনাটক প্রদর্শনের মতো আরো নানা ধরণের আয়োজনের কথা ভাবা হয়েছে। আমরা শিক্ষা চাই আমাদের স্বত্তাকে স্বাধীন করতে, চেতনাকে উন্মুক্ত করতে কোনো লাভের আশায় নয়।
‘অন্যায় অবিচার যখন আইনসিদ্ধ হয়, প্রতিরোধ-আন্দোলন তখন দায়িত্ব্ হিসেবে বর্তায়।’
যোগাযোগঃ
আই. এস. এম. গ্লোবালঃ united.for.education@gmail.com (এস. ও. আর. এর অংশ হিসেবে কোনো কর্মসূচি নিতে চাইলে তা জানাতে)
আই. এস. এম. উত্তর আমেরিকাঃ ismna@lists.riseup.net
অদ্যবধি এস. ও. আর. এর অংশ হিসেবে গৃহীত নিম্নলিখিত আন্দোলন ও কর্মসূচি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছেঃ
(...)
আপনাদের কর্মসূচি সম্পর্কে যে কোনও তথ্য united.for.education@gmail.com। এখানে ইমেইল করে জানান, যাতে করে সারা বিশ্বের বিভিন্ন গ্রুপ ও সক্রিয় নেতা-কর্মীরা তা সম্পর্কে অবহিত হতে পারে এবং প্রয়োজনানুসারে ও সুযোগ-সুবিধামতো বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারে।
Credits for the translation: Bangladesh Students' Union (BSU)